লকডাউনে ব্যবসায় লছ

বর্ষার আগেই টন টন উঠেছে ইলিশ মাছ।এ সুযোগ আগে পাইনি মাছেদের রাজারা।শান্ত সমুদ্রে নিজেদের ইচ্ছামত ভেসে বেড়ানো। ছেলে পুলে নিয়ে জলে পাক খাওয়া।কোনোদিনই হয়নি।

হয় খোকা ইলিশ স্বীকারিদের জালে বন্দি হতে হয়েছে,নয়তো মৎসজীবিদের পাতা টোপ গিলেছে নিজেরাই। লকডাউনে সে সময় মিলেছে,ভরে উঠেছে ইলিশের সংসার।১৫ই জুন মাছ স্বীকারে বেরোছেন মৎসজীবিরা।

একবুক আশা নিয়ে বিশেজ্ঞরা বলছেন,এবার দুকূলের ঝিলিতে তাদের চোখ ধাধিয়ে দেবে ইলিশ। সমুদ্রে একেবারে মাছ ভরপুর। এবারে মৎসজীবিরা আগামী ১৫ তারিখে যে মৎস সমুদ্রে মৎস আহারোনের জন্যে যে, মৎসজীবিরা টলার নিয়ে সমুদ্রে যাবেন মাছ ধরার জন্য।

এটা আমরা আশা করছি প্রচুর পরিমাণ ইলিশ মাছ উঠে আসবে।৬০দিন সমুদ্রকে বিশ্রাম দিতে হয়।কিন্তু লকডাউনে তার চেয়ে বেশি বিশ্রাম পেয়েছে সমুদ্র। ফলে শুধু ইলিশ না,সব ধরনের মাছই বেড়ে ওঠার অবাধ সুযোগ পেয়েছে।

ইলিশ পরিস্কার জলে ডিম ছাড়তে পছন্দ করে সে তুলনায় এখন জল একেবারে পরিস্কার।সুতারাং ইলিশ সহ সব মাছই খুব ভালো হবে বলে আশা করেন মৎসজীবিরা।

কোভিট এখনই ছেড়ে যাওয়ার নয়।আর তার মধ্যে একটু একটু করে এগোতে হবে। যেমন প্রায় ৮০দিন পর খুলে গেল শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহি মাছের হাট।

আর এভাবে এবার বর্ষার আগে মাছ ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটছে ইলিশ বেচতে পারার সুযোগ পেয়ে। এবং শান্তিপুরে আরও খুলে দিয়েছে তাঁতের হাট।

যদিও কড়াকড়ি লকডাউন চলছে তারপরও কিছুটা সুযোগ পেয়েছে ব্যবসায়ি…

5 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here